রবিবার সন্ধ্যায় বৈষ্ণ দেবী মন্দির গামী একটি বাসে জঙ্গী হামলা, পরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গভীর খাদে পড়ে যায় বাসটি। তিন বছরের একটি শিশু সহ মৃত ৯ জন। আহত ৩৩ এরও বেশী। যাত্রা পথে হঠাতই গুলির বর্ষণ শুরু হয় বাসটির উপর। জঙ্গিদের গুলিতে নিয়ন্ত্রণ হারায় চালক তখনই বাসটি কান্ডার কাছে গভীর খাদে পড়ে যায়। ঘটনায় জড়িত আছে রিয়াসি জঙ্গির একটি দল এমনটাই অনুমান করছেন ভারতের সুরক্ষা দপ্তর।
জম্মু কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর জেনারেল জানান রিয়াসি জঙ্গিদের খুঁজে পাওয়া বের করতে যৌথ অভিযান শুরু হয়েছে। পুলিশ , সিআরপিএফ ও আর্মি মিলে তদন্ত করা হচ্ছে। দোষীদের ছেড়ে দেওয়া হবেনা বলে জানিয়েছেন তিনি। সকালে আহতদের সাথে দেখা করতে হাসপাতালে যান LG মনোজ সিনহা। তিনি পরে জানান এই নিন্দনীয় ঘটনায় ৯ জন মৃত এবং ৩৫ জন আহত হয়েছেন। তিনি আরও জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু মহাশয়ার সাথে কথা হয়েছে দোষীদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।
তিনি মৃতদের পরিবার পিছু ১০ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেন। ইতিমধ্যেই পুরো এলাকা জুড়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। নিরপরাধ মানুষ যাতে বিপদে না পড়েন সে জন্য ওই এলাকায় দর্শনার্থীদের যাওয়া আটকে দেওয়া হয়েছেন। এছাড়াও বুথ নির্মাণ করে চলছে তল্লাশি। এছাড়াও জঙ্গী দমনে আরও বেশি করে সেনাদের অস্ত্র শিক্ষা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
উক্ত ঘটনাকে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহএর মতো ব্যক্তিরা কাপুরুষকতা ও মানবতার বিরুদ্ধে কাজ বলেছেন এবং প্রাণহানী হওয়ার দরুন শোক প্রকাশ করেছেন। পুলওয়ামা জঙ্গি আক্রমণের পর ফের শিরোনামে কাশ্মীর , শান্ত কাশ্মীরের স্বপ্ন এখনও অধরা রয়ে গেলো। বিদেশি ইসলামিক শক্তির অবসান না ঘটলে ভারত মায়ের বীর সন্তানেরা শান্তি পাবে না।